Latest Post

আলো আঁধারে
যাও তবে বৃত্তের বাহিরে যথাকার তব নীড়ে
মহাকালের রবে আপনারে ফিতায় বাঁধি মারে,
মর মর তোলরামে বংশি দামের নিপে
বাল্যভূমির নাগালে তুমি যাও অন্য ধাপে।
জঙ্গল কাঁদিবে গহিন অরণ্যে
তপজানু স্রোত বালুর ধারায় মরণের জন্যে,
থাকি তথাই তোমা দূরে অশান্তনায়
যজ্ঞের মূলে যতিকা দামি ক্ষুদ্র কামনায়-
চাহিয়া পন্থের পানে যৌবন ঘুমায়।
১৭
ত্রিশটি পদ্দের স্নানে তোমায় জাগিয়ে রাখি-
সৃজন পূজন তন্দ্রায় আগলে ডাকি,
ঘুমিয়ে থাকার সুপ্ত চেহারা
আমি তাঁকিয়ে দেখি মরু চোখে সাহারা
ভিজে দেই ফুল দানিটা আঁকড়ে-
বৃষ্টির বুকে প্রেমের ছায়া চুপিসারে
রক্ত রাঙা বুকে তৃষ্ণার জল আকুতি
সময় ফুরায়না পথের নিনতি
ফিরে পাবার বাসনায় উম্মাদ চিত্য তিথি।
১৮
হাঁটতে হয় এতদূর আর পারি না-
পঁচিশটি বৎসর শেষ তবুও ফুরায় না
দামিনী ফুলকি রসানো তালাশে-
হারিয়ে ফেলি অন্য সবই কোন জুলুসে,
কত নদী মহনায় জলাধার সাক্ষীর নিপাতা
ফুল পরীর অন্য কাঙ্খিত মরণের চিতা।
সে কত না কেঁদে ব্যাকুল আমার পাশে
দিবারে পারেনি চৈতালী হাওয়ার আবেশে
রিক্ততার দুয়ারে পূর্ণতার সমীরণ পুষে।

আলো আঁধারে
আসিতে হয় যাওয়ার কালে অংশ বেধে
ফানুষি রঙ্গ মঞ্চ দোলনায় বাঁধে-
চুপিসারে কয়ে যায় ধীর পায়া
বাতাসের মিলন দিগন্ত তাসে সুখের কায়া।
বিরহের সভ্যতায় মহাকালে সীমানা
জলপরী নীলপরীর মরণ মরে না,
কে যায় কোন সীমানায়, কোন সে হাওয়ায়
দিগন্ত একই ঝাপসা বাওয়া নায়,
কূল হারা নদের সামে দোলনায়।
১৪
দিবস যায় রজনীর দায়, নেশার গ্লাসে,
মাতাল পাতালে সিংহাসনে বসে-
নয়ন যায় হিঃসার দু-পাতে আস্তানায়
ছিনিয়ে লয় যামিনীর রক্ত ভৎসনায়।
কোথাকায় কেবা বুঝি লয়
পাষাণ বেদি উলঙ্গ নাটে যমুনার হয় ক্ষয়,
আসেনা তো ভোর খোঁলেনাতো ডোর,
শান্তির শানে অমলিনে কান্নার অন্তর
মৃত্তিকার তলে আহাজারির ফুলতান পাথর।
১৫
অহেরি তাহারে রাখি স্বরণে
পৃথিবীর বুকে ভালবাসার শানকি শানে
মঞ্জুরির পায় চির দূর্মর দু-পায়
চলি তাহার নাগালে সাধুরাম বংশি বায়।
মনে রাখি বাজনার পিরানা-
বায়োলিনের সুর সাধে প্রেমের গুঞ্জনা,
পিঞ্জরে বাঁধা অনন- তৃষ্ণার নেশা
জাত কূলের বাহিরে মরেনা তাহার বাসা
দৌড়ায় রাগিনী তোলকামে পিয়াসা।

আলো আঁধারে
রোগ শয্যায় কাতর দু-পায়ে বেড়ি-
চলেনা তো সিঁড়ি চঞ্চলার সোয়ারি,
মাঝ পথে কামনার ঝুলি খোঁলা
তাঁকিয়ে দেখি ঐরাবতের মেলা।
রাজা নেই রাজত্ব কোথায় হারায়
চাল নেই চুলা জলে ডুবে যায়,
হঃসের সাথে ললিতা ত্রুন্দনায়
শক্তিহীন ভঙ্গুর দেহ কাফন ধামনায়
ঘুমিয়ে থাকে অনন্তকাল নীরবতায়।
১১
তারুণ্য দলে হিমশিখা বাহুবিল্লার শান
হিমাদ্রী বাওয়া তরুলতা শ্লোগান,
জমিনের ফরমান উন্নত শিরে ধাবমান
চলি অকুতোভয়ে লালে লাল অভিযান
এঁকে দেই পদভাড় পাষাণ বেদিতায়
ললাটে হিম্মতের বুলি যথা তথায়,
দেখি স্বপ্নের বুনিয়াত জিঞ্জিরার গায়-
চলে মাঝি মাল্লার নৌকা সুরতায়
উল্লাসে বাহু ধরি পাল আগুপাথায়।
১২
বহুবার শুনি ভুলিবার নহে মধুতা-
বাল্যসখা চোখের দিপ্তমনি সবিতা,
ধরি তাসের কোলে স্বল্পিতা
পৃথিবীর বুকে তাহার রুপ রহে মগ্নতা
প্রেম বাড়ে, ক্রমে ধীর দুরন্ত ফনা
আত্মায় লাগে কূয়েলিকার দোসর পিনা।
জাত জাতিকায় মনিহার রঞ্জু কণা
বাদলের দিনে দিব তাহারে সম্মানা-
শিউলি তলায় আর্বে বিছানো প্রেম দেনা।

পিপাসার বুকে মোরা সাম্যবাদি,
দাসত্ব ত্যাগি জুলুমাতে রাখি ব্যাধি
চির উজ্জিবিত কামারু তীর ঘেসা কিনারে-
বসাই রসের রসবোধ জীবনের দুয়ারে
ললাটে আঁকি চিরবেনা সংগ্রামি নিশানা
দৌড়ে ছুটি হামাগুড়ি রক্তাক্ত মহনা,
হাজার বৎসরের পরাধীনতা দূর
যাব যেন যাব আজি মুক্ত মধুপুর,
রিক্ত উপুরে আলোক মাঠের সীমানা যতদূর।
                                                                        ২    তারিখ ও সময়:- ০৭/০৩/২০১০,  ১৫-৫৬
রজনী পোহায় কবরের দুয়ারে এসে
ত্রিশ কদম পায়ে হেঁটে মিশে
চারিধারে পানিয় আবেশে উতালা প্রাণ
দাও হে ! সামান্য দোস্তানির ঘ্রান,
এঁকে দিব হায় পরাণ বুঝি যায় লুটায়ে
হিমলতার দুয়ারে পিপাসার বুক ছোঁয়ে।
আসেনা কুসুম কমল জল
আঁধারের বেলা মেঘালয় মেলা কৃষ্ণপল
ছলতার রামঝুরি মিলে না হিন্দোল।
যাই আমার ঘরে আমার সাথে-
বেদূইন কিংবা মিলন আজ্ঞের তীর্থে,
বাতাসের বাহুবিরামে হিসেবের খাতায়-
ফেলে রাখা বেখেয়ালি পথের হিঃসায়
দুনিয়ার থেকে পরমগ্নের সোয়ারে-
হিম্মতের দূরে স্রষ্টার সম্মুখধারে।
দেবার সময়ে অসময়ের দেনাপাওনা
রিক্ত কিংবা ভরাটের ভাগ্য বনা,
পরপারে জিন্দা চেতনে প্রাণের পরোয়ানা।

আলো আঁধারে
একদিন বুঝিনি আর খুঁজিয়া তাহারে পাইনি
এই আলো আধাঁরে, রিক্ত পোড়ানি-
হুতভোগের যথাই হতাশা,
ছড়িয়ে যায় আত্মার সনে নিরাশা।
ঘাস ফুলের সাথে মিলে না বন্ধন
যথাকার তথায় ভাবি মরণে চুম্বন
যাই আঁধারের নেশা ফুল ঝরা-
মরা মাঠে চর নামে সন্ধা কূলের পাড়া
ভেসে আসে প্রতিচ্ছবি মরু সাহারা।   
  তারিখ ও সময়:- ০৭/০৩/২০১০,  ২২-০৫
পাঁড়ে ওপার ধারা সঙ্গ যামিনী
আঁধারে মরণ নেশার দামিনী
আকাশে বাতাসে উঠে উত্তাল পশরা
কূলে একা পারাপার পাহারা,
নেই কেহ আত্মার দেহ কূল কিনারা
বাঁধনে চুম্বন প্রতিহিঃসার পয়রা-
মানুষে মানুষ নেই সেই কাল ফলিতা
কাফনে দাফন হয় রুদ্ধ সবিতা
আঁধারে যাওয়া তাই মর্মিতা।
হায় কেন হয় আশার দিশারী বাওয়া
পথিকের দুয়ারে চেতনাহীন ধাওয়া,
মরে মর দিনাপাত লহরী
ডাক পড়েছে ডাক দিয়েছে উচ্চ আসনে বাড়ি
যেতে হবে যাওয়া চাই অহেরি নহে
ব্যাদন সৃজন মনা আত্মার দোসর কহে,
সকল ফেলি যায় অনন্ত কামনায়
পাপড়ির কোলে যথা ফুল কলি লুটায়
অনন্ত চাওয়া ফিরে না পাওয়া, পূর্বাহ সায়।


আলো আঁধারে
ঘাস ফড়িংয়ের মত উড়ো মনানে-
দুয়ারে বসে যথাই ভাব ভাবানে-,
উজাটন মন থাকেনা পিয়ে বনলতায়
দুরন- কামিনী ফলতায় জল ভাসায়,
কাহারে খোঁজে মন বিবাগে
নেই কোথা ? থাকিবে কি যেথা অনুরাগে ?
নয়নের মিলে কমল চিত্যে রসানে
ভাললাগার বাঁশরি সুর থাকিবে কি পরানে ?
জনম জনমে দোপাতের জল স্রানে।
ভাল নেই ফলশ্রতি বায় আহামরি
পৃথিবীর বুকে বাঁধি বাসা সঙ্গ যেথা পুরী,
প্রেমের মনানে- যাতনার সাম্যে
লালচে কুমের পিঞ্জন কেনা দামে।
তরুলতা বন ভালোলাগা মন কোথা রয়
বৃত্তের ওপারে পারিনা যেতে তনুতয়,
ভ্রমরের কোলে গাহিবার গান শ্যামলে
ফুলে ফুলে রাঙা মধুর ঝুলিকায়, নীল নীলে-
চুঁমে চুঁমায় সিক্ত স্পর্শের হিমতলে।
যায় যুবক পথ ভোলা মন পাথারেতে
আলোর আবেশে পিঞ্জর জুড়াতে-
মুক্ত আকাশে স্বচ্ছ জলে দেহ মেলাতে
তিতাসের বুকে রক্ত ছবি জড়াতে,
ঝিনুকের মুক্ত কুড়াতে
নর্দমার চুল্লি ফেলিয়া নতুন সাম্যের সাথে,
ফেলিতে দুঃখ, যাতনা, অন্তপুরেতে
সুখের সন্ধানে ভালবাসার বাহুতে-
উজ্জল সফেতলে দিব্য নমুনার আশালতে।


ও মেয়ে ও সুন্দর
আগুনেরও গড়ন যে তোর
সব কিছু যে পোড়ে মারো
পোড়াওনি তো আমার অন্তর
প্রেমে পড়ব তোর প্রেমে, পুড়বো না প্রেম দহনে
আমার ক্ষতি চাইলে কভু তোমার ক্ষতি জীবনে(২)

শুকতাঁরা সুখের খুঁজে
মন খুঁজে মন মনের মাঝে
দিবারাতি তোমার স্বপন
সত্যি হবে প্রেমী তুমি নিজে
আমার মনে ভাঙ্গন দিলে, মারবো রক্ত ক্ষরণে 
আমার ক্ষতি চাইলে কভু তোমার ক্ষতি জীবনে(২)

দেখিনি তো দেখলাম তোরে
চোখ সরেনা নজর ফেলে
আমার কাছে চাইলাম তোরে
কেমনে তোরে যাবো ফেলে
আকাশ বাতাস দেখলো তোরে স্বপ্ন সন্ধিক্ষনে
আমার ক্ষতি চাইলে কভু তোমার ক্ষতি জীবনে(২)     


দেখেছি যে তোরে আজ এই রোদেলা জমিনে
বুঝেছি যে তোরে, একটু সময়ে, একটু কথার অগোছালো ভাষার সন্ধানে 
ওই চোখে, ওই মুখের মায়ায় পড়েছি
বুঝতে পারছি না তোরে কি মেয়ে ভালবেসেছি?(২)  

চাও ফিরে চাও বারেবারে চাও
দখিনের জানালা হয়ে উঁকি দাও
আমি দাঁড়িয়ে আছি, তবু আছি, কেন আছি
অনেকটা সময় পেরিয়ে গেল, ওই হাতটা বাড়াও 
ওই চোখে, ওই মুখের মায়ায় পড়েছি
বুঝতে পারছি না তোরে কি মেয়ে ভালবেসেছি?(২)

জানি না সাড়া দিবে কি তুমি এই মেয়ে
বিকেলটা কি তবে বৃথাই যাবে দুঃখটা রবে এই হৃদয়ে
আমি পুড়তে চাইনা, কাছে নাও না,নেবে কি না
আহত করো না হৃদয়টা, ভালবাসার এই সময়ে।
ওই চোখে, ওই মুখের মায়ায় পড়েছি
বুঝতে পারছি না তোরে কি মেয়ে ভালবেসেছি?(২)


চলে যাও বন্ধু, ফিরে এসো না
ভুলে যাও বন্ধু, মনে রেখো না  
দুজনার দুটি পথ, এক আর হবে না 
ভালবাসা ভাল নয়, ভুলে থাকা যাবে না (২)

ফিরে যাই ঘরে, এ ঘর আমার তোরে দিয়ে ভরা 
এই ফাগুনে জানি ফাগুন পাব না, রবে শুধু দুঃখের নাড়া
এই আমি সেই তো নয় মিছে নিরাকার
বেদনায় কাঁদব, কেউ তো দেখবে না ।
দুজনার দুটি পথ, এক আর হবে না 
ভালবাসা ভাল নয়, ভুলে থাকা যাবে না (২)

সময় বয়ে যাবে সময়ের সাথে মিশে
আমাতেই আমি রবো দুঃখটা রবে পুষে
জল চাই শুধু জল পিপাসার এই বুকে
কেউ নেই কাছে দূরে সবই তো ছলনা
দুজনার দুটি পথ, এক আর হবে না 
ভালবাসা ভাল নয়, ভুলে থাকা যাবে না (২)



প্রেমে পড়ার সময় গেল
বয়স বেড়ে অনেক হল
কথায় পাব যে তোরে
প্রেম না হল তোর সাথে ওরে ও বন্ধুরে (২)

ঝরকা কাটা পাটখড়ির বেড়া
সবই দেখা যায়
সময় শুধু এলো গেলো
বন্ধুর দেখা দায় 
পথের পানে শূন্য আমি একলা মন রে
প্রেম না হল তোর সাথে ওরে ও বন্ধুরে (২)

প্রেমের সুতা যে গজালও ওই
ছোট্ট মনের ঘরে
হয়না রে প্রেম কীসের ভুলে
ভুলটা  খুঁজি রে
বয়স টয়স চামড়া মরে মন তো না মরে
প্রেম না হল তোর সাথে ওরে ও বন্ধুরে (২)

sislam8405

{Facebook#https://www.facebook.com}

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

luoman থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget