Latest Post

কবিওকবিতা
ভালবাসা কখনো রৌদ্র  মেঘের
ছায়ায় মিশে যায়,
অচেনা অজানা ফুল পরীর সাথে
বিহঙ্গের গান গায়।
কখনোবা অচেনা পথে প্রান্তরে
একাকি কাতরাতে থাকে-
দৃষ্টিহীণ হয়ে কখনোবা কর্কট-
কাটা ভরা অরণ্যে যায়,
অনাহারে অর্ধাহারে কতদিন রাত-
অপেক্ষায় বয়ে যায়।
আমি দেখেছি কখনোবা ভালবাসা
উচ্চ আকাশে চাঁদের সাথে-
মিশে জোছনার হয়ে যায়।
কখনোবা দিনের আলোতে মিশে
দখিন হাওয়ার সাথে সতেজ দান করে।
ভালবাসা কখনো, গাঁয়ের মেয়ের চুলে-
লাগানো ফিতার সাথে বকুল মালা,
কখনোবা শত ব্যাথার মাঝে প্রিয়ার
দর্শনের স্পর্শে কেটে যায় বেলা।
কখনোবা বিরহ যন্ত্রনায় কাতর হয়ে
নয়ন কোনায় জল জমে
ভালবাসা মানে দিনের পর দিন
প্রেমের পাখিকে কাছে রাখা,
কখনোবা বুকের ভিতর জলন্ত
আগুনের যন্ত্রনা।
তারিখ ও সময়:- ১১/০৭/২০০৫, ০৮-২৫

কবিওকবিতা
চাইনি আমি তোমার ধন আমায় দাও,
চাইছি শুধু দুঃখ ব্যাথা-
কিছু না হয় বিলাও।
আমার থেকে নিও কিছু তোমার পাঁজরে,
একে অন্যে মিশে থাকবো-
দুঃখ সুখের সাগরে।
নয়ন দৃষ্টি মিলাবো দুনিয়ার লিলায়,
অন্য চক্ষু থাকিবে জেগে-
দু-জনার বাসনায়।
জীবন নামক অন্ধঘরে
কত বিরহের খেলা,
ভাসিয়ে নিব দু-জন দু-জনায়
ভাসাবো মনের ভেলা।
বিকেল, চৈতালি রোদ শেষে-
ঘাসের বুকে পরশ,
দু-জন বসে ভোগ করিবো অদৃশ্যের রস।
জীবন ঝড়ে সাগর তীরে
আঘাত আসে বারেবার,
তখনো রহিবো আপনা পাশে
প্রতিজ্ঞা করি এবার।
নেই কোন স্বার্থ, লাভ ক্ষতির হিসেব,
সুখ দুঃখের আদান প্রদান-
চিরদিন থাকে সেভ ।
তারিখ ও সময়:- ১৬/০৭/২০০৫, ১৯-০৫

মানবাত্মা কবিতা
ভাঙিয়াছে শিরদাঁড়া কুঁজোকাল মোর
শক্তিহীনা দেহতরী স্বপ্ন ভাঙার প্রসর
একাকি কাল পাশে থাকেনা কেহ
গল্পগানের রসানী রুপে ঝরা পালকের দেহ,
মূল্যহীনা সফেত, কাদা মত্তিকায় ভরা
যৌবনহীনা কাঙ্গালী বেশে ধরা,
আদর নেই মায়ার প্রজ্জলিত রুপে
দিতে পারেনা, শুধু চাহে অরুপ চুপে,
মানুষের মাঝে নেই তিনি, নেই আবেশে
পত্রমিতালী প্রেমপূজনে কেউনা ভালবাসে।
৪১
নেই সেই, এই আছে, ছায়াপাত গহন
মুড়ালী প্রেমহীনা কাঙ্গালি চরণ,
কূহু কেকা ভিতরেই, নহে বাহির পানে
স্বর্নালী যুগ নেই, জল পিয়াসি স্নানে
শুধু কিরা কূহন অগোছালো কাল
মানুষ রুপি বোধ নেই, যেথায় একাল
পড়ে থাকা সভ্য, উঠে আসা নহে
আঁধার ঘরে জীবন যেন রহে
সুখদুঃখ এখানে সোয়ারী চিত্যদানে
মুঞ্জুরী ঝরা কূলে অনশন বানে।
             -শেষ-

মানবাত্মা কবিতা
ওরা থামেনা, অপ্রজ্জল রেখা ভাঙিয়া-
নিখিল অরণ্যপাতে যায় দিশা দিয়া,
ওরা কাঁদেনা কান্না, কাঙ্খিত নহে,
ছুটে চলে দূর্মর জীবন- দ্রাহে,
নেইতো ক্লানি- হতাশার অবলিলা
তৃর্ষ্ণায় দেয় জল অন্তরঙ্গ খেলা,
ওরা তবুও মানব, বিজলী স্বপ্নে
সংসার আছে প্রেমাত্ব চুম্বনে
ওরা তারুণ্য অভয়ে প্রলয় শিখা
ওরা জাতির কর্ণধার স্বর্নশিখরে লেখা।
৩৮
মরিয়া গিয়াছে দেহের অন্তর পিলা
থর থর বুক কাঁপে কফিনে খেলা
কে নিবে লও তাহারে তুলিয়া ?
কেউ নেই দেখি যেন থাকে পড়িয়া,
মানুষ সেতো, পশু নহে, সৃষ্টি ভোলা
পথে পড়ে লাশ তাহার এই কালবেলা ?
দাবী নেই জঞ্জাল তবে কি তিনি ?
মরিতে হবে সবের কভু বুঝিনি
নিস্ফল নিয়াময় মায়া মুখখানি
ওপারেতে যাবে তিনি কেউ শোনেনি।
৩৯
রক্ত চোষা পাষাণ বেদি নর হত্যাকাল
মারবোরে হায় এক গুসিকিল বুঝিবি অনন্তকাল,
আমরা জাতি, নই বিজাতি থাকিবো নত শিরে ?
উত্তাল মোরা রক্ত তেজী ধরনীর বুক জুড়ে,
আমরাতো রাজসিংহাসনে গুপ্ত পাথারে
অপরাধ যাহার ধ্বংস তারই, মারিবো পোড়ে
শান্তি বিনা নেইতো চাওয়া, কলঙ্ক নয় হায়
ছুঁড়ে ফেলি গহিন বনে জীর্ন চুল্লির পায়,
সমাজ সাথে আমরা একই পথে
দুঃখসুখে বিবেধ হীনা বাঁচিতে চাই সাথে।

মানবাত্মা কবিতা
ছোট কথা ছোট মানসি মন
বেলা অবধি অন্য বেলা তাহার ক্ষণ,
পারেনা চলিতে কহিতে রাঙা মঞ্জুরী
দুঃখ ব্যাথার কোন সে রুপ বাড়ি ?
কাঁদে হায়, কিবা দায় তাহার ?
ক্ষুদ্র কাব্যে থাকিলো জানি অপার,
একদা জন্মিবে তব ফানুষী দ্বার
কুঞ্জে রটিবে বিশাল কর্ম তাহার,
মানব ছিল তারপর দিব্য মানুষ
চৌধারে দিপ্তলেন, নহে জুলুস।
৩৫
তিনি রাজা, রাজত্ব আজ্ঞে তাহার
হিরা মানিক রত্মভান্ডারে একাকার
দূর, অদূর, হস্ত দিশারি পাতাল
কুর্নিশ লহে প্রজার থেকে সেকাল,
হুকুমাতে সোয়ারী সর্বাঞ্চল
কাঁপে থরথর ভূমি তল,
অকারণে শিরচ্ছেদ নতুবা দয়াবান
দুঃখ দেখিয়া হৃদয় কাঁদে, খুলিয়া দেয় প্রাণ,
সেই ভবে নয়তো উপুরি ভাব
কান্ডারি যাহাদের তরে পক্ষিয় স্বভাব।
৩৬
পতিতায় বাস ওখানেই সোয়ারী
দুঃখসুখ জীবন- কালে উহাতেই তরী
যেতে নেই আসিতে পারো
রুদ্ধ দ্বার খুঁলিতেনা পারো.
দেনা আছে পাওনার পালঙ্ক নাই
মিছে ভর্সনা রজনী পোহালো তাই
দর্শনে নেই বাহ্যিক স্বপ্ন গাঁথা
মুড়ালী প্রেমের সু্‌প্ত কথা-
মরণ তথায় শবেদাহ লাশের স'প
পতিতা উহারা আজন্ম নিখিল চুপ।

মানবাত্মা কবিতা
এসেছিল কবে গহন? অরন্য পথে-
মাংস চুম্বনে দিল ছোঁয়া কোন  রথে ?
কোথায় পালালো সেই ভর্সনা ?
দেখিনি মজিনি কি তবে পাওনা ?
মনে রাখিনি কি হয়েছে মোর ?
আকাশ পাতালে পেয়েছি খুন পাথর,
আর জাগেনি আরতো বলেনি কথা
লাশ কিনা দাহন ঝিলের ব্যাথা.
উপুরে মরিলো মরিচিকা বায়
তাচ্ছ্যিলতা বুকে বহে বাসুমায়।
৩২
মরে যায়নি তিনি কখনো নহে
মানবের মাঝে যেন বাঁচিবার চাহে,
উদয়াস্ত- নিবির ছায়া অরণ্যে-
থাকিবে জাগিয়া হাসি খেলার জন্যে
কার্তিকের ঘাস কখনো বা হয়
গাংচিলের মাছ ধরা প্রনয়
মাঝি মাল্লার পথের পড়ে রাখালী বেশে
নতুবা মেঘ রৌদ্দুর ধারা আবেশে,
বাঁচিবারে কর্মে ধরন বেলার সাথে
শ্যামল মায়া তারুণ্যপাত জোছনা রাতে।
৩৩
তাহার সংসার পুত্র কন্যা বধুয়া স্বজন আবেশে
পরহেরি আত্নার সাথে পাশে
ওখানে মায়াছায়া ভালবাসার গীত
দেনাপাওনার কাছে হেরেছে অতীত,
ব্যাদনা সাথী সিক্ত ভেজার মায়া
শান্তির দুয়ারে উজ্জল ছায়া,
ভুলেনা, ভুলিতে থাকা দায়
ধরনীতল হিমেল মাখা সঙ্গতায়,
উহাতেই শেষ স্বপ্ন বুনিবার সাধ
যুগান্তর পথে নক্ষত্র বাওয়া প্রভাত।

মানবাত্মা কবিতা
উজার করি মহাময় ধনরত্নাধি
দুস্ত' গরীব কাঙ্গালি মেয়ের শাদী,
দিলেম কিছু তাহাদের কাঙ্খিতে
মিটিবে তৃষ্ণা, মরণ নেশার সাথে।
অর্জন করে ধনভান্ডার সৎ আবেশে
কিছু রাখে বাকিটা পরের তাসে,
থাকে শূন্য, কিবা মূল্য মরণে
জবাব নাহী দিতে হবে ধনরত্নে,
আমল চাহি পূর্ণতা তাহাতেই
রুহু যাবে জবাব দিবে কবরেতেই।
২৯
সন্ত্রাসী হেথায় চির অভয়অরণ্য-
বুলেট প্রভায় রজনী পোহালো ধন্য
রক্ত পাষাণে লাশের মহুরী
মায়া নেই, প্রেমাতলে মঞ্জুরী
বিষন্নতায় দোলে সারাজাহান
চোখের বুলি বর্শায় মরে ম্লান,
সংসার নেই, সিক্ততায় গোপন পিয়াস
অবৈধ আবেশে দক্ষিণা সুভাস,
কবরে যায়নি লাশ, পথের ধারে-
শৃগাল কুকুড়ে মোচড়ায় উদরে।
৩০
চঞ্চল মন দৌড়ায় প্রেমের আবেশে-
নক্ষত্র রাজি বহতা গিতালী আশে
স্বপ্ন সাঁকোতে পাঁজর দোলে
বেদনা হীনা পল্লব নিশানা দ্বীলে,
যেতে পারি রাগিনী নারীর সাথে
জীবন তাসে মিলন মাখানো প্রভাতে
বৈরীভাব দূর করিয়া গমন,
আলো আশা নরনারী বাহুতল শ্রাবণ,
চলিছে কাল কুঞ্জ দিপালী জল
সুখদুখে একাকার হিমাদ্রী আঁচল।

মানবাত্মা কবিতা
কবিতায় কবি শব্দার্থে রং
অমূল্যে থাকিলো, হবে কিনা ঢং ?
বলিলো একটিবার সুযোগ চাহি
কাব্য আপনার প্রচারে মহি,
নাইবা দিলে নতুনদের স'ান করিয়া ?
সাহিত্যের জয় কেমনে হয় মরিয়া ?
মনোবল বুনি একটিবার হবেই জয়
নাইবা থাকিলুম এ ধরায়, তথাপি ক্ষয়
বুঝিবে সত্যি, এ চক্ষু দেখিবেনা তাহা
আপনা কবি মহাবর্ষে দর্শন স্পিহা।
২৬
দাও সামান্য অন্ন, আজি আপনারে
তৃষ্ণার্ত বুকে হাহাকার চুল্লি নড়ে,
কাঁপে হৃদয়, জীবন প্রনালী আবেশে
হাঁটিবো কত আর কোন আশে।
জুড়িয়া লই উদরখানি সিক্ততায়
বহু যুগলে শক্তিমর্ত্য দুনিয়ায়,
স্বপ্ন পূজারে হিমাদ্রী তাল বাওয়া
যাবোনা যেন অরুপ কাঠিতে ধাওয়া,
শুধু খেতে চাই আর নাহী চাহিলেম
ধরনী মোরে ক্ষমিও যাহাই পেলেম।
২৭
সর্বাদেহ রক্তাক্ত জামায় জড়ানো
লেলিহান বাসর শয্যায় বধুয়া তখনো,
ছিলনা কথা, এ কেমন মধুরতা,
লাশে হই আলিঙ্গন তথা।
মিটেনি আশা ভাঙ্গিলো বাসা
আসিলো ধেয়ে পাষাণপুরী নেশা,
মুছে গিয়াছে আলতা চুড়ি ফিতা
কয়নি কথা মুড়ালী দুঃখব্যাথা,
মরণি দর্শে ততোকি বর্ষে আর ?
আসিলো কি সেই বাসর মুছিতে রক্ত পাহাড়।

মানবাত্মা কবিতা
আমায় মেরো না, আপনার আহত প্রাণ
শুনিনি তোমাদের কর্মমুখী গান,
যে আলাপনে দেশান্তর জ্বলিয়া যায়
চূরমার হুলিয়া মানব রক্তের গায়।
আমার অভয় প্রাণ, ভয় পাইলো
কারণ, স্বজন আপনার অপহরণ হইলো,
করার নেই তথাপি ক্রন্দন মরে
কোথায় বিচার ওদের বাঁচিবার তরে ?
হায় ঘুমিয়েছিল হিমেল শীতে
শোনোনিকো চিৎকার? অবিচার চিত্যে।
২৩
বখাটের দল অকর্মা পাঞ্জেরী
রাগ বেশী বিপদ ধরে পন্থা চুরি,
ছেঁড়া জীবন যাযাবর জঞ্জাল
সমাজ হেরি উন্নত দ্বারে শৈবাল,
নষ্ট কথা তীব্র ব্যাথা অপরাহ্নে
পথে ঘাটে অশান্ত রুপ দ্রাহে।
পারেনি হতে ফিরে আসা
মন্দ কর্ম হেরি বাস্তব আশা,
থাক পড়ে মল মূত্রে ঘুমায়ে
জেগে দেখিলো তিনি কবরে শোয়ে।
২৪
কে তুমি চলিলে যেথায় যাও ?
ভাসমান, আপনারে নেবে কিনা নাও ?
চাহিনিতো ধনশালী আপনারে দাও
শুধু চাহি পথরেখা, দিশা দেখাও,
একটু তাঁকাও বারেক ফিরে
এই মানব আজ্ঞে দুয়ারে !
মরিতে চাহিনা তোমাতে কহি
সামান্য দিক নজর আপনাতে চাহি,
চলে যাবো দেখিতে দেখিবো একদিন
তুমি মোরে ভেবেছিলে সুদিন।

মানবাত্মা ।। Manobatta
ধরো এই হাত ওগো ললনা
পড়েছি যে পাথারে ভর্সনা
তোমারেই খুঁজিতে এলুম
অপরাহ্নে পিঞ্জর দলে পাইলুম,
আর যেওনা কো রাখিয়া আপনারে
অপর বেলায় কালবেলার তীরে
বাঁধো যতনে আত্ম চুঁমায়
স্বর্নালী মধুর আবছায়ায়,
যৌবন বাঁধানো নন্দিনী হিয়ায়
উত্তাল ঘর্ষণ খেয়ালী মায়ায়।
২০
ফুরালো জল পাঞ্জেরী গাঁথামালা
সাঁজন চুলচে অধির বেলা,
বনিবনা তাহাকি সাঙ্গ খেলা ?
হোঁচট জলে তরঙ্গ ভেলা।
সেই দিন আরতো সঙ্গেতে নাহী
মাধুরী পূর্ণতায়, পালিয়েছে কহি
নর নারী মিলন পূজারী কাল
রঙ্গেতে নাহী সেকেলের পাল,
শুধু থাকিলো মানবাত্নার চুয়ালী
অবাসর দোলে খাঁ খাঁ চৈতালী।
২১
থেমে গিয়াছে আপনার দোস্তানী
ধরনীর পথে বাঁচিবার আশা ম্লানী
থুবরে খায় রক্তমাংস দেহ
তিনিতো মানবাত্নার কেহ,
নিখিল ধারায় উহাই দেনাপাওনা
মানবে মানবের মুষ্টি চেতনা
খুন হয় রক্তাক্ত করে
স্বার্থ বড়, ভাইবেরাদর দূরে
সর্বদা আপনাতে মহিস্ব পাল
দুনিয়ায় বুকে তিনি শ্রেষ্ঠ দামাল।

sislam8405

{Facebook#https://www.facebook.com}

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

luoman থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget